1. admin@haquekotha24.com : admin :
  2. aquekotha24news@gmail.com : Mirazul Islam :
  3. mehedi9313@gmail.com : Mehedi Hasan : Mehedi Hasan
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৩ অপরাহ্ন

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮, আটকা বহু মানুষ

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৫ বার
ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে দেশটির ফ্লোরেস অঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর কয়েক ডজন আফটারশক অনুভূত হয়। বিভিন্ন এলাকায় এক মিটারের কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ রেকর্ড করা হয়। খবর রয়টার্সের।
দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবির প্রধান সুহারিয়ান্তো জানান, স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দুজন গুরুতর আহত এবং ১১ জন সামান্য আহত হয়েছেন। প্রায় ২ হাজার মানুষ নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন।
ফ্লোরেস দ্বীপের বন্দরনগরী মাউমেরেতে উদ্ধারকারীরা ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন। সেখানে ছয়জন আহত এবং দুজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছেন শহরের উদ্ধার সংস্থার প্রধান ফাথহুর রহমান। মাউমেরে সিক্কা রিজেন্সির প্রধান শহর।
ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকায় মানুষ ভবনের ভেতরে আটকা পড়েছেন। কয়েকটি সড়ক ভূমিধসে বন্ধ হয়ে গেছে।
ভূমিকম্পের উপকেন্দ্রের সবচেয়ে কাছের অঞ্চল নাগেওকেওতে উদ্ধারকারী দল এখনও পৌঁছাতে পারেনি। সেখানে যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়কপথে যাওয়ার চেষ্টা ভূমিধসের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়। পরে একটি দল ফেরিতে করে সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করে।
বিএনপিবি জানায়, নাগেওকেওর প্রায় ২ হাজার বাসিন্দা নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন। ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়ি, গুদাম ও সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও যানজট ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবরও পাওয়া গেছে।
পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের গভর্নর ইমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা জানান, ঘুমন্ত অবস্থায় ভবন ধসে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
মাউমেরেতে ভূমিকম্পের সময় ভবনের অংশ ধসে পড়ার একটি ভিডিওতে মানুষকে আতঙ্কে রাস্তায় ছুটে যেতে দেখা গেছে। তালিবুরা গ্রামের ৫১ বছর বয়সি বাসিন্দা নোনা জানান, ভূমিকম্পের সময় তাঁদের বাড়িতে ১৩ জন ছিলেন। সবাই প্রাণ বাঁচাতে বাইরে বেরিয়ে যান।
ইন্দোনেশিয়ার ভূপদার্থবিদ্যা সংস্থা বিএমকেজি জানায়, প্রথম ভূমিকম্পটি ভোর ৪টা ৫৮ মিনিটে আঘাত হানে। এরপর একাধিক আফটারশক হয়। ১৯৯২ সালেও একই এলাকায় ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।
ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’- এ অবস্থিত। পৃথিবীর ভূত্বকের বিভিন্ন প্লেটের সংযোগস্থল হওয়ায় এ অঞ্চলে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2026 haquekotha24.com
Theme Customized By BreakingNews