1. admin@haquekotha24.com : admin :
  2. aquekotha24news@gmail.com : Mirazul Islam :
  3. mehedi9313@gmail.com : Mehedi Hasan : Mehedi Hasan
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন

পুষ্টিকর ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৪ বার
শরীরের প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকা কমে যাওয়া, প্রচণ্ড দুর্বলতা এবং পানিশূন্যতার মতো নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দেয় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে । এই সময়ে সঠিক ওষুধ সেবনের পাশাপাশি পুষ্টিকর ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস দ্রুত আরোগ্যের মূল চাবিকাঠি।
পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ
ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো রক্তে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখা। শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হলে ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো আরও মারাত্মক রূপ নেয়।
শুধু সাধারণ পানি না খেয়ে পানির পাশাপাশি স্যালাইন, ডাবের পানি, তাজা ফলের রস (যেমন : কমলা, মাল্টা বা ডালিম), পাতলা ডালের পানি এবং মুরগির স্যুপ খাওয়া উচিত। এগুলো শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত প্যাকেটজাত জুস, কার্বোনেটেড কোমলপানীয় এবং চা-কফি পরিহার করা উচিত; কারণ এগুলো শরীর আরও শুষ্ক বা পানিশূন্য করে ফেলে।
প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে ক্ষয়ে যাওয়া কোষ পুনর্গঠনে প্রোটিন অপরিহার্য। সহজে হজম হয় এমন প্রোটিন যেমন- সেদ্ধ ডিম, কম মশলায় রান্না করা মুরগির মাংস, পাতলা ডাল, পনির, দুধ এবং দই। দইয়ের প্রোপায়োটিক হজমশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত মাংস, খাসির মাংস, বা ছাঁকা তেলে ভাজা খাবার যা পাকস্থলীর ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং বমি ভাব বাড়ায়।
প্লাটিলেট বাড়ানোর প্রচলিত ভুল ধারণা
ডেঙ্গু হলে অনেকেই পেঁপে পাতার রস বা ড্রাগন ফলকে প্লাটিলেট বাড়ানোর উপায় হিসেবে মনে করেন। পেঁপে পাতার রস বা নির্দিষ্ট কোনো ফল খেলেই যে প্লাটিলেট রাতারাতি বেড়ে যাবে, এর পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক বা ক্লিনিক্যাল প্রমাণ নেই। পেঁপে পাতার রস অতিরিক্ত খেলে অনেকের ক্ষেত্রে বমি ও লিভারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।
রক্তে প্লাটিলেট বৃদ্ধির বিষয়টি মূলত শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং ভাইরাসের প্রভাব কমে আসার ওপর নির্ভর করে।
পুষ্টিবিদ হৈমন্তী সরকার বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো অরুচি ও বমি ভাব। তাই জোর করে একবারে অনেক খাবার না খাইয়ে রোগীকে কিছুক্ষণ পর পর অল্প অল্প করে নরম ও সহজে হজমযোগ্য খাবার দেওয়া উচিত। তৈলাক্ত, ঝাল এবং গাঢ় রঙের (যেমন : লাল বা কালো) খাবার এড়িয়ে চলা ভালো, কারণ পেট খারাপ বা বমি হলে অভ্যন্তরীণ রক্তপাতের সঙ্গে তা গুলিয়ে যেতে পারে।
ডেঙ্গু রোগীর মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও সঠিক পুষ্টির মাধ্যমে শরীর সচল রাখা। লক্ষণের কোনো অবনতি হলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2026 haquekotha24.com
Theme Customized By BreakingNews