1. admin@haquekotha24.com : admin :
  2. aquekotha24news@gmail.com : Mirazul Islam :
  3. mehedi9313@gmail.com : Mehedi Hasan : Mehedi Hasan
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন

বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকার ৪ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৩ বার
বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটির পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করার পর প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইসঙ্গে চার প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদও শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে পৃথকভাবে এসব প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রশাসকদের সহযোগিতার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের আরও দুজন করে কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, আভিভা ফাইন্যান্সে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালক আলাউদ্দীন হোসেন। ফারইস্ট ফাইন্যান্সে পরিচালক সাদেকুর রহমান, এফএএস ফাইন্যান্সে পরিচালক আতাউর রহমান এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
আরও জানা গেছে, প্রাথমিক পর্যায়ে চারটি প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। পঞ্চম প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সকে ঘিরে আদালতে মামলা চলমান থাকায় সেখানে এখনই প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। আদালতের আদেশ পাওয়ার পর এ প্রতিষ্ঠানটির বিষয়েও পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের প্রধান দায়িত্ব হবে প্রতিষ্ঠানগুলোর অবসায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া। পাশাপাশি সরকারের কাছ থেকে পাওয়া অর্থের মাধ্যমে ব্যক্তি আমানতকারীদের পাওনা পরিশোধের ব্যবস্থাও করবেন তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণের হার ৯৩ শতাংশ থেকে প্রায় শতভাগে পৌঁছেছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ায় অবসায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পাঁচ প্রতিষ্ঠানে সম্মিলিত আমানতের পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার ৭৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে আভিভা ফাইন্যান্সে ৫ হাজার ৩৬৮ কোটি, পিপলস লিজিংয়ে ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে ৩ হাজার ১২ কোটি, এফএএস ফাইন্যান্সে ১ হাজার ২৪৬ কোটি এবং ফারইস্ট ফাইন্যান্সে ৪৪৯ কোটি টাকা আমানত রয়েছে।
সূত্র জানায়, অবসায়ন প্রক্রিয়ায় ব্যক্তি আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একজন ব্যক্তি আমানতকারী সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন। পাঁচ প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি আমানতকারীদের মোট জমার পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
এর আগে গ্রাহকের আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ ২০টি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। গত বছরের মে মাসে এসব প্রতিষ্ঠানকে কেন তাদের নিবন্ধন সনদ বা লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে ২০ প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে প্রথম ধাপে নয়টিকে বন্ধের জন্য বিবেচনায় নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর দেওয়া ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বন্ধের প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়।
অন্যদিকে, বাকি চার প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের আর্থিক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারের জন্য তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলো ঘুরে দাঁড়াতে ব্যর্থ হলে সেগুলোর বিরুদ্ধেও বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাওয়া চার প্রতিষ্ঠান হলো— প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) এবং প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2026 haquekotha24.com
Theme Customized By BreakingNews