1. admin@haquekotha24.com : admin :
  2. aquekotha24news@gmail.com : Mirazul Islam :
  3. mehedi9313@gmail.com : Mehedi Hasan : Mehedi Hasan
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন

রোবটিক্স-অটোমেশনে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রস্তুতি

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৮ বার

দেশের শিল্প খাতের জরুরি কারিগরি সহায়তা, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ তৈরি এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)। ১৯৬২ সালে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি-বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরি করছে।

কোনো শিল্পকারখানার গুরুত্বপূর্ণ কোনো যন্ত্রাংশ নষ্ট হলে সেটি বিদেশ থেকে আমদানি করতে অনেক সময় দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কিন্তু বিটাকের প্রকৌশলী ও দক্ষ জনবল নিজেদের প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে অনেক ক্ষেত্রে ওই যন্ত্রাংশ মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে তৈরি করে দিতে সক্ষম হচ্ছে। এতে শিল্পকারখানার উৎপাদন সচল রাখার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে। বিটাকের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা, প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কারিগরি সহায়তা দেওয়া এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে জোর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মো. সাইফুল ইসলাম। সকালের সময়’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। শিল্পের ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট’: বিটাকের অন্যতম প্রধান কাজ হচ্ছে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জরুরি

প্রয়োজনে কারিগরি সহায়তা দেওয়া। মহাপরিচালক বলেন, কোনো মিল বা কারখানার অপরিহার্য কোনো যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গেলে অনেক সময় সেটি বিদেশ থেকে আমদানি করতে দুই-তিন মাস সময় লাগে। তখন উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণে প্রতিষ্ঠানকে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিটাক দ্রুত সহায়তা দিতে পারে। আমাদের প্রকৌশলী, দক্ষ জনবল, মেশিনারি ও কারিগরি সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে অনেক ক্ষেত্রে পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ তৈরি করে দেওয়া সম্ভব হয়। তার মতে, এর ফলে শুধু শিল্পের
রোবটিক্স-অটোমেশনে

উৎপাদন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখা নয়, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ও সম্ভব হচ্ছে। বিটাক বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও পণ্য তৈরি করে থাকে। বিদ্যুৎ, সার, উৎপাদনসহ বিভিন্ন শিল্প খাতে জরুরি যন্ত্রাংশ সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এক বছরে প্রায় ৬০ কোটি টাকার পণ্য: মহাপরিচালক জানান, গত বছর বিটাক থেকে প্রায় ৬০ কোটি টাকার বিভিন্ন পণ্য ও যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা হয়েছে। তবে এই পরিসর আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা লাভ করার জন্য কাজ করি না। শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনের সময় সহায়তা করা এবং বিশেষ করে জরুরি সংকট মোকাবিলা করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আমরা যদি এমন পণ্য দেশেই তৈরি করতে পারি, তাহলে আমদানির ওপর চাপ কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রারও সাশ্রয় হবে।

তাঁর ভাষ্য, ৬০ কোটি টাকার পণ্য আমদানি করতে গেলে সংশ্লিষ্ট শিল্পের উৎপাদন বন্ধ থাকা, পরিবহন, আমদানি ও অন্যান্য ব্যয় মিলিয়ে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতে পারে। ফলে দেশীয়ভাবে দ্রুত এসব পণ্য তৈরি করার সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

প্রশিক্ষণ শেষে চাকরির সুযোগ: শিল্পের জন্য দক্ষ জনবল তৈরিও বিটাকের অন্যতম বড় দায়িত্ব। প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন ধরনের কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণের বিশেষত্ব হলোড়শুধু শ্রেণিকক্ষে তাত্ত্বিক শিক্ষা নয়, প্রশিক্ষণার্থীদের সরাসরি মেশিনে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়।

সাইফুল ইসলাম বলেন, বিটাকের প্রশিক্ষণ অন্যান্য প্রচলিত প্রশিক্ষণের মতো শুধু ক্লাসরুমভিত্তিক নয়। এখানে প্রশিক্ষণার্থীরা সরাসরি মেশিন চালানো, ডিজাইন করা এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পায়।

তার দাবি, প্রশিক্ষণ শেষে অনেক প্রশিক্ষণার্থী সরাসরি চাকরিতে প্রবেশ করছেন। দেশের বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে প্রাণ-আরএফএলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বিটাকের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ জনবল নিয়োগে আগ্রহ দেখান। প্রশিক্ষণ গ্রহণের পরপরই চাকরির সুযোগ তৈরি হওয়া বিটাকের বড় অর্জন। পাশাপাশি অনেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে উদ্যোক্তা হচ্ছেন। কেউ চাকরিতে যাচ্ছেন, কেউ নিজেই প্রতিষ্ঠান গড়ে অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছেন, বলেন তিনি।

নারীদের জন্যও কারিগরি প্রশিক্ষণ: বিটাকে নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। মহাপরিচালক বলেন, প্রশিক্ষণ নিয়ে নারীরা নিজেরাই বিভিন্ন পণ্য তৈরি করতে পারছেন। এতে তাদের মধ্যে আত্মত্মবিশ্বাস তৈরি হচ্ছে এবং অনেকেই উদ্যোত্তন হিসেবে গড়ে উঠছেন।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তিতে গুরুত্ব: চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিটাকের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। রোবটিক্স, অটোমেশন, সিএনসি মেশিনসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে বলে জানান মহাপরিচালক।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণার্থীদের এমনভাবে প্রস্তুত করতে চাই, যাতে তারা শুধু দেশের শিল্পের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিতে পারে। তার মতে, দক্ষ কারিগরি জনবলের আন্তর্জাতিক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে ওয়েল্ডিংসহ বিভিন্ন ট্রেডে দক্ষ কর্মীরা বিদেশে তুলনামূলক ভালো বেতন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন।

বুয়েট-কুয়েটের শিক্ষার্থীদেরও আকর্ষণ বিটাক: বিটাকে শুধু চাকরিপ্রার্থী বা সাধারণ প্রশিক্ষণার্থীরাই আসছেন না; দেশের বিভিন্ন প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের জন্য এখানে আসছেন। বুয়েট, কুয়েটসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিটাকে অ্যাটাচমেন্ট ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা সরাসরি আধুনিক যন্ত্রপাতিতে কাজ করার মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। মহাপরিচালক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বিটাকের মতো প্রতিষ্ঠানে হাতে-কলমে কাজ করার সুযোগ শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ: বিটাকের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও যুক্ত রয়েছেন। নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট কিছু প্রশিক্ষণ নেওয়ার প্রয়োজন হয় বলেও জানান তিনি। তার মতে, এটি প্রমাণ করে শিল্প কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ব্যবহারিক দক্ষতা তৈরিতে বিটাকের প্রয়োজনীয়তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশিক্ষণ থেকে উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ: বিটাকের প্রশিক্ষণ নেওয়া ব্যক্তিদের একটি অংশ পরবর্তীতে উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করছেন। শুরুতে ছোট পরিসরে ব্যবসা বা উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করলেও সময়ের সঙ্গে অনেক উদ্যোক্তা বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছেন।

মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা কাউকে শুধু ক্ষুদ্র বা মাঝারি উদ্যোক্তা হিসেবে দেখি না। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজনকে দক্ষ করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সে উদ্যোক্তা হলে ধীরে ধীরে বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে।’

নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব: বিটাকের ম্যান্ডেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো নতুন প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করা। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের নতুন চিন্তা ও প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

সাইফুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি বিটাকের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি সেশনের আয়োজন করা হয়, যেখানে পণ্যের মান উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে দেওয়া সেবা আরও কার্যকর করার বিষয়ে মতামত নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি আইডিয়া এসেছে। এতে বোঝা যায়, আমাদের কর্মকর্তারা নতুন প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন, বলেন তিনি।

ছয়টি নতুন বিটাক কেন্দ্র: বিটাকের কার্যক্রম দেশব্যাপী আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, রংপুর, জামালপুর, যশোর ও বরিশালে নতুন কেন্দ্র স্থাপনের কার্যক্রম চলছে বলে জানান মহাপরিচালক।

তিনি বলেন, নতুন কেন্দ্রগুলো চালু হলে এসব অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী কারিগরি প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোও বিটাকের কারিগরি সহায়তা গ্রহণ করতে পারবে।

নতুন কেন্দ্রগুলোতে প্রশিক্ষণার্থীদের আবাসনের জন্য পৃথক হোস্টেলের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। তাঁর মতে, এসব কেন্দ্র শুধু প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, ভবিষ্যতের দক্ষ জনবল তৈরির বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। বিটাককে আরও পরিচিত করতে প্রচারণার উদ্যোগ: বিটাকের কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনও পর্যাপ্ত ধারণা নেই বলে মনে করেন মহ-পরিচালক। তাঁর মতে, প্রতিষ্ঠানটি শিল্প ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে যে ধরনের সেবা

দিয়ে আসছে, তা আরও ব্যাপকভাবে মানুষের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন। তিনি বলেন, অনেকেই বিটাক সম্পর্কে জানেন না। অথচ এখানে প্রশিক্ষণ নিয়ে একজন তরুণ চাকরি পেতে পারেন, উদ্যোক্তা হতে পারেন কিংবা বিদেশের শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মী হিসেবে যেতে পারেন। তার আহ্বান, শুধু সরকারি বা বেসরকারি চাকরির পেছনে দীর্ঘ সময় ব্যয় না করে তরুণদের কারিগরি দক্ষতা অর্জনের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

দক্ষতা অর্জন করুন, নিজের কর্মসংস্থান নিজেই তৈরি করুন: তরুণদের উদ্দেশে বিটাকের মহাপরিচালক বলেন, ‘সরকারি বা বেসরকারি চাকরির জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে বিটাকের মতো প্রতিষ্ঠানে কারিগরি প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকে দক্ষ করে তুলুন। দেশে কিংবা বিদেশে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিন। অথবা উদ্যোক্তা হয়ে নিজে কাজ করার পাশাপাশি আরও কয়েকজনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করুন।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা গেলে দেশের শিল্প খাত আরও শক্তিশালী হবে এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থানও আরও সুদৃঢ় হবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: বিটাকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে মহাপরিচালক বলেন, প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের পরিধি আরও বিস্তৃত করা। নতুন কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সেবা পৌঁছে দেওয়া, প্রশিক্ষণের পরিসর বাড়ানো, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ চালু করা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে আরও দ্রুত ও কার্যকর কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য বিটাককে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা, যেখানে শিল্পপ্রতিষ্ঠান জরুরি কারিগরি সহায়তা পাবে, তরুণরা বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা অর্জন করবে, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তার মতে, দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি দেশীয়ভাবে শিল্পের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ উৎপাদন বাড়াতে পারলে আমদানিনির্ভরতা কমবে, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে এবং দেশের শিল্প উৎপাদন আরও গতিশীল হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2026 haquekotha24.com
Theme Customized By BreakingNews