1. admin@haquekotha24.com : admin :
  2. aquekotha24news@gmail.com : Mirazul Islam :
  3. mehedi9313@gmail.com : Mehedi Hasan : Mehedi Hasan
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন

চট্টগ্রামে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু, আক্রান্তের ৫৭ শতাংশই পুরুষ

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৪ বার

চট্টগ্রামজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আগস্ট মাসের প্রথম আট দিনেই জেলায় ২৮০ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা জুলাই মাসের মোট আক্রান্তের অর্ধেকেরও বেশি। ডেঙ্গু পরিস্থিতি যেভাবে দ্রত অবনতির দিকে যাচ্ছে, তাতে চলতি মাসে বিগত মাসগুলোর রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার স্পষ্ট আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

 

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, জেলায় এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ১১৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৫৮ জন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার এবং ৪৭২ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। এছাড়া বাইরের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে চিকিৎসা নেওয়া রোগীর সংখ্যা ১৮৪ জন। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জেলায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৩ জন, যার মধ্যে গত জুলাই মাসেই প্রাণ হারিয়েছেন ২ জন।

 

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট আক্রান্তের মধ্যে পুরুষদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি – প্রায় ৫৭ শতাংশ (৫২৫ জন)। বাকিদের মধ্যে ২৮৭ জন নারী এবং ২০২ জন শিশু। চিকিৎসকদের মতে, কাজের প্রয়োজনে পুরুষদের ঘরের বাইরে বেশি অবস্থান করতে হয় বলেই এডিস মশার কামড়ে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তাদের মধ্যে বেশি। ঝুঁকি এড়াতে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সবাইকে ফুল হাতা পোশাক পরিধানের পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

চট্টগ্রাম শহরের বাইরে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে সীতাকুণ্ড ও কর্ণফুলী উপজেলায়। সীতাকুণ্ডে এখন পর্যন্ত ১১৭ জন এবং কর্ণফুলীতে ৮৬ জন রোগী পাওয়া গেছে। এছাড়া লোহাগাড়ায় ৩৫ জন এবং রাউজান, বাঁশখালী ও পটিয়ায় ৩২ জন করে আক্রান্ত হয়েছেন।

 

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম জানান, পিক সিজনে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে। তবে গত বছরগুলোর তুলনায় সার্বিক পরিস্থিতি এখনও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

 

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ৮৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্তের বিপরীতে ১০৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০২৪ সালে ৪ হাজার ৩২৩ জন আক্রান্তের মধ্যে ৪৫ জন এবং গত ২০২৫ সালে ৪ হাজার ৮৬৪ জন আক্রান্তের বিপরীতে ২৭ জন প্রাণ হারান।

 

তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হিসাবের বাইরেও বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা নেওয়া অনেক ডেঙ্গু রোগীর তথ্য গণনার বাইরে থেকে যাওয়ায় প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2026 haquekotha24.com
Theme Customized By BreakingNews